মলদোভা কাজের বেতন কত-যেতে কত টাকা লাগে
মলদোভা কাজের বেতন কত এ ব্যাপারে অনেকেই অনলাইনে কিংবা গুগলে সার্চ করে থাকেন। শুধু যে বেতন জানার জন্য গুগলে সার্চ করে তা কিন্তু নয় এছাড়া মলদোভা যেতে কত টাকা লাগে, মলদোভা কোন কাজের বেতন কত পড়াশোনার জন্য কতটা সুবিধা ইত্যাদি।
পোস্ট সূচিপত্রঃ মলদোভা কাজের বেতন কত
- মলদোভা কাজের বেতন কত
- মলদোভায় সাধারণ শ্রমিকের বেতন কত
- মলদোভা যেতে মোট কত টাকা লাগে
- মলদোভায় কাজের ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে
- মলদোভায় কোন কোন সেক্টরে কাজের সুবিধা বেশি
- মলদোভার সর্বনিম্ন বেতন কত
- সর্বোচ্চ বেতন কত
- মলদোভা কাজের বেতন সম্পর্কে FAQ প্রশ্ন উত্তর
- শেষ মন্তব্যঃ মলদোভা কাজের বেতন কত
মলদোভা কাজের বেতন কত
মলদোভা কাজের বেতন কত এব্যাপারে জানার প্রয়োজন আছে কিনা অবশ্যই পোষ্টের নিচের অংশগুলো পড়লে জানতে পারবেন। সর্বপ্রথম জানা দরকার মলদোভা কোন মহাদেশ অবস্থিত তাই না? আমরা কমবেশি সকলেই জানি মলদোভা একটি ইউরোপিয়ান দেশ। আর বাংলাদেশের নাগরিকদের ইউরোপিয়ান দেশগুলোর প্রতি আকৃষ্ট অনেক বেশি।
তবে জানামতে ইউরোপিয়ান দেশ ইতালিতে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশী মানুষ অনেক বেশি আগ্রহী। কিন্তু ইতালিতে যেতে হলে অনেক ফ্যাসিলিটি প্রয়োজন রয়েছে এছাড়াও ইতালির ভিসা থেকে শুরু করে যাওয়া অব্দি অনেক লক্ষ টাকা প্রয়োজন। এ ছাড়া সহজে ভিসা পাওয়া সম্ভব হয় না তাই অনেকেই ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মধ্যে যেই দেশগুলোতে কম সংখ্যক লোক বাংলাদেশ থেকে যাই সেগুলোতে যেতে পারলে ভালো হয়।
এরমধ্যে মলদোভায় অন্যতম একটি দেশ যেখানে অনেকেই যেতে চান কাজের জন্য। সেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে এবং কাজ অভিজ্ঞতা,দক্ষতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের ধরন সকল কিছু দিক বিবেচনা করে বেতন নির্ভর করে। তবে অনেকেই এখন ইউটিউব এবং গুগল ঘাটাঘাটি করে মলদোভা কাজের বেতন সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে আমরাও এ ধরনের কিছু অভিজ্ঞতা থেকে মলদোভা কাজের বেতন সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করব।
প্রতিনিয়ত এক্সচেঞ্জ রেট পরিবর্তন হয়ে থাকে যার কারণে টাকার মান কমবশি হয়। অনেকেই হয়তো মলদোভার মুদ্রার নাম জানেনা তাদের সুবিধার্থে বলা হচ্ছে মলদোভার মুদ্রার নাম হচ্ছে লেউ। মলদোভা কাজের বেতন নির্ভর করে অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা এর উপর। অনেকে আছেন যারা মলদোভা পড়াশোনা করতে যান এবং পড়াশোনা করার পরে সেখানেই জব করে থাকেন।
আরো পড়ুনঃ দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ধরন ও কাজের বেতন কত
আবার অনেকেই সরাসরি কাজের উদ্দেশ্যে মলদোভা গিয়ে থাকেন। বিভিন্ন ধরনের কাজের ক্যাটেগরি রয়েছে যেগুলোতে বেতন ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। মলদোভায় বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায় অনেকেই রেস্টুরেন্ট কিংবা ইলেকট্রিক ওয়েল্ডিং বিভিন্ন ধরনের কাজ। এছাড়াও কাজের বেতন নির্ভর করে দৈনিক কত ঘন্টা কাজ করছে তার ওপর। কারণ সেখানে ঘন্টা অনুযায়ী কাজের বেতন হয়ে থাকে আবার ওভারটাইম করার সুযোগ রয়েছে।
তবে সব মিলিয়ে কাজের বেতন যদি সর্বনিম্ন বেতন আনুমানিক ২৫-৩০ হাজার টাকা হতে পারে। কারণ কাজ ছাড়া বেতন কখনোই নির্ধারণ হয় না। তাই আপনি যে কাজ করুন না কেন যদি ভালো ক্লাইন্ট কিংবা প্রতিষ্ঠান পান তাহলে অবশ্যই বেতন ভালো পাবেন। তবে অনেকেই রয়েছে যারা কাজ করিয়ে নিয়ে টাকা দিতে বিলম্ব করে কিংবা অনেকেই দেয় না।
মলদোভায় সাধারণ শ্রমিকের বেতন কত
মলদোভায় সাধারণ শ্রমিকের বেতন কত এ ব্যাপারে অনেকেই সার্চ করে থাকেন বিভিন্ন উপায়ে। তবে সঠিক ধারণা পাওয়া সম্ভব হয় না। কারণ প্রতিনিয়ত মুদ্রার রেট কম বেশি হয় যার কারণে সঠিক তথ্য পাওয়া সম্ভব হয় না। তবে মন তোমায় যারা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যান তাদের বেতন নির্ভর করে কিছু অভিজ্ঞ এবং অনভিজ্ঞর উপরে। অভিজ্ঞতা ছাড়া বেতন ৪০ হাজার এবং অভিজ্ঞদের বেতন ৭০-৮০ হাজার টাকা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
যারা সাধারণভাবে কাজ করতে যান এবং কোন ধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়াই তাদের বেতন প্রায় ন্যূনতম ৪০ হাজার টাকা অর্থাৎ 5500MDL।1MDL=7.20 বাংলাদেশী টাকা। মলদোভায় যারা সাধারণ শ্রমিক হিসেবে জান তারা বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকেন যেমন কৃষি, নির্মাণ, কারখানায় ইত্যাদিতে। তবে নির্দিষ্ট টাইম ছাড়া ওভারটাইম করে অতিরিক্ত ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে প্রবাসে।
মলদোভা যেতে মোট কত টাকা লাগে
মলদোভা ইউরোপের একটি দেশ আর ইউরোপের দেশগুলোতে যেতে অন্যান্য দেশের চাহিদা তুলনামূলক খরচ বেশি হয়। তবে অনেকেই হয়তো জানা নেই যে মলদোভা যেতে কেমন খরচ হয়। একচুয়াল খরচ আসলে মুখে বলা সম্ভব নয়, তবে আনুমানিক একটা খরচ ধারণা করা যেতে পারে। মলদোভা সেনজেন ভুক্ত দেশ নয় তবে ইউরোপের দেশগুলোতে মানুষের চাহিদা থাকার কারণে খরচ একটু বেশি হয়।
মলদোভা যাওয়ার আনুমানিক খরচ ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা। তবে অনেক ক্ষেত্রেই টাকার পরিমাণটা এজেন্সির ওপর নির্ভর করে থাকে। কারণ বিভিন্ন ধরনের খরচ যেমন ভিসা, পাসপোর্ট, কাজের অফার লেটার সংগ্রহ করা থেকে বিভিন্ন কাজে টাকা খরচ হয়ে থাকে যার কারণে যে পরিমাণ খরচ হয় এজেন্সিরা তার চেয়ে বেশি টাকা নিয়ে থাকে।
আরো পড়ুনঃ হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খরচ কত বিস্তারিত জানুন
আবার এজেন্সি বাদে নিজে নিজে চেষ্টা করাও খুব একটা সহজ ব্যাপার নয়। তাই বেশিরভাগ মানুষই দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এজেন্সির সহযোগিতা নিয়ে থাকে। তবে এজেন্সি গুলো টাকা বেশি নিয়ে থাকলেও কাজ ভালো করে থাকে যদি বিশ্বস্ত এজেন্সি হয়ে থাকে। এছাড়া অনেক ধান্দাবাজ এজেন্সি আছে যারা টাকা নিয়ে থাকে কিন্তু কাজ করে থাকে না। তবে ১০ লক্ষ টাকা যাওয়ার জন্য মজুদ করে রাখলে মলদবা যাওয়া সম্ভব।
মলদোভা কাজের ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে
এরপর চলুন আপনাদের সাথে আলোচনা করি মলদোভা কাজের ভিসায় যেতে মোট কত টাকা লাগে। কাজের ভিসায় মলদোভা যেতে খরচ হয় প্রায় ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকা। কারণ ভিসা প্রসেসিং করতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে যদিও এর থেকে কম খরচ হয়। আবার ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করতে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। কারণ বাংলাদেশ থেকে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে গেলে কাজ খুঁজতে সমস্যায় পড়তে হয় না।
এছাড়াও রয়েছে কাগজপত্র সঠিকভাবে তৈরি, এম্বাসি প্রসেসিং, ওয়ার্ক পারমিট, এপয়েন্টমেন্ট, ফ্লাইট বুকিং, মেডিকেলের জন্য খরচ, নথি প্রস্তুতি, সকল ক্ষেত্রে মোট ৩-৪ লক্ষ টাকা নিয়ে থাকে। তবে অনেকে এজেন্সি এর চাইতে বেশিও নিতে পারে আবার কম নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। যদিও খরচ ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা লাগতে পারে। কিন্তু এজেন্সি ছাড়া সম্ভব নয় যার কারণে খরচ তুলনামূলক বেশি লাগে।
মলদোভায় কোন কোন সেক্টরে চাকরির সুবিধা বেশি
বলতো ভাই অনেক সেক্টর আছে তবে সব সেক্টরগুলোতে কাজ পাওয়া সম্ভব পর হয় না তাই নির্দিষ্ট কিছু কাজ আছে যেগুলোতে কিছু পরিমাণ কাজ জানলে সহজেই পাওয়া যায়। তবে প্রথমত যাওয়ার পর যে সকল সেক্টর গুলোতে খুব সহজে কাজ করা বা পাওয়া যায়। যে সকল সেক্টর গুলোতে কাজের সুবিধে রয়েছে মলদোভায় সেগুলো নিচে তুলে ধরি।
- ফ্যাক্টরিতে প্যাকেজিংয়ের কাজ
- গার্মেন্টস এ ট্যাগ লাগানোর কাজ
- বিভিন্ন ধরনের কৃষি কাজ
- ড্রাইভার
- ওয়েল্ডিং এর কাজ
- বিভিন্ন সুপার সাপে ডেলিভারি ম্যান এর কাজ
- বিভিন্ন হোটেলে প্যাকেজিং এর কাজ ইত্যাদি
মলদোভার সর্বনিম্ন বেতন কত
মলদোভার সর্বনিম্ন বেতন কত এ ব্যাপারে অনেকেই জানতে চেয়েছেন। কারণ অনেকেই আছেন যারা মল্দোভায় ওয়ার্ক পারমিট ভিসা এবং স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে চান। স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়ার খরচ কম তবে যাওয়ার পর সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি ওভারটাইম কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এবং ইনকামের ভালো সুবিধা রয়েছে। কারণ সেখানে স্টুডেন্টদের জন্য আলাদাভাবে ওভারটাইম কাজ পাওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃ রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা খরচ কত
মলদোভায় সর্বনিম্ন বেতন ৪০ হাজার টাকা। যে সকল কাজগুলো সব মেনে বেতন ৪০ হাজার টাকা সেগুলো হলো কৃষিকাজ, প্যাকেজিং, ক্লিনার ইত্যাদির। তবে অনেকেই ৫০০০০ টাকাও সর্বনিম্ন বেতন পেয়ে থাকেন। যেই প্রতিষ্ঠান কিংবা মালিকের কাজ করেন অনেক ক্ষেত্রে বেতন তার ওপর নির্ভর করে থাকে তিনি যদি সঠিকভাবে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক দিয়ে থাকেন তাহলে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব।
সর্বোচ্চ বেতন কত
মলদোভায় সর্বোচ্চ বেতন কত এ ব্যাপারে সঠিক ভাবে বলা খুবই মুশকিল। মলদোভায় যারা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে চান তারা যদি দক্ষ শ্রমিক হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই বেতন বেশি পাবেন। তবে বেতনের পরিমাণ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা। কিন্তু যারা সেখানে পড়াশোনা করে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন বা সেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং এ চাকরি পান তাহলে তাদের বেতন অনেক। আনুমানিক দুই থেকে তিন লক্ষ টাকার কাছাকাছি।
এছাড়া বেতন নির্ধারণ হয়ে থাকে অনেকটাই পজিশন, কোম্পানির মালিক, শ্রমিকদের অভিজ্ঞতা এর উপর। তবে যারা মলদোভায় ম্যানেজারের কাজ করে তাদের বেতন অন্যান্য শ্রমিকদের বা ওয়ার্কারদের চাইতে অনেক অংশ বেশি। তাই যেকোনো দেশে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যেতে চাইলে অবশ্যই কয়েকটি কাজের দক্ষতা এর সার্টিফিকেট অর্জন করে যাবেন তাহলে বেতন ভালো পাওয়া যাবে।
মলদোভা কাজের বেতন সম্পর্কে FAQ প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন: মলদোভায় সাধারণ শ্রমিকদের বেতন কত?
উত্তর: মলদোভায় সাধারণ শ্রমিকের বেতন প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ৪০০ USD হঠাৎ বাংলাদেশী টাকা য় ৪০০০০।
প্রশ্ন: মলদোভা সরকারের ন্যূনতম বেতন কত?
উত্তর: সরকারি ন্যূনতম বেতন প্রায় ২৫ হাজার থেকে ত্রিশ হাজার টাকা।
প্রশ্ন: মলদোভা যাওয়ার ফ্লাইট টিকিট ?
উত্তর: মলদোভা যাওয়ার ফ্লাইট টিকিট ৭০-৮০ হাজার টাকা লাগলেও এয়ারপোর্টে বিভিন্ন দালালেরা পজিশন সুযোগ বুঝে বৃদ্ধি করে থাকে, অনেকের কাছে ১ লক্ষ আবার অনেকের কাছে দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে থাকে।
প্রশ্ন: মলদোভায় কোন কাজগুলোর বেতন বেশি?
উত্তর: ইলেকট্রিশিয়ান, ড্রাইভার, ওয়েল্ডার অর্থাৎ টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বেতন বেশি হয়।
প্রশ্ন: হোটেল কিংবা রেস্টুরেন্টে বেতন কেমন?
উত্তর: হোটেল কিংবা রেস্টুরেন্টে আনুমানিক বেতন ৪৫ হাজার টাকা সর্বনিম্ন তবে টিপস যদি মাঝেমধ্যে পাওয়া যায় তাহলে ৫০ হাজার টাকা হতে পারে।
প্রশ্ন: কাজের ভিসা কতদিনের?
উত্তর: সাধারণত মলদোভায় কাজের ভিসা ১ বছরের রেসিডেন্স পারমিট দেওয়া হয়।
প্রশ্ন: মলদোভায় কাজ করা কি নিরাপদ?
প্রশ্ন? ভাই কাজ করলে ছুটির সুবিধা আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, বার্ষিক ২০ থেকে ২৪ দিন পেইড লিভ।
উত্তর: হ্যাঁ, সাধারণত নিরাপদ বলা যায়, কারণ অপরাধের হার কম
শেষ মন্তব্যঃ মলদোভা কাজের বেতন কত
উপরিউক্ত সকল আলোচনা সাপেক্ষে বলা যায় যে মলদোভায় যারা বিদেশি শ্রমিক আছেন তাদের বেতন ভালো। এবং বিদেশি শ্রমিকরা এই বেতন থেকে সেভিং করতে পারবেন যদি কোন কোম্পানি থাকা খাওয়া সুবিধা দিয়ে থাকে তাহলে সেই খরচটুকু সেভিং করা সম্ভব। এছাড়া যাদের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং ওভারটাইম করতে পারবেন তারা দ্রুত তাদের যাওয়ার খরচ খুব কম সময়ে কাজ করে তুলে নিতে পারবেন। যেহেতু এই দেশগুলোতে যাওয়ার খরচ অনেকটাই বেশি তাই ভালো মানের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কাজ করলে বেতন তুলনামূলক বেশি পাওয়া যাবে এবং দ্রুতই টাকা উপার্জন করে নিজেকে এবং পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারবে। আশা করি আজকের পোস্ট থেকে মলদোভা কাজের বেতন কত এ ব্যাপারে নূন্যতম একটি ধারণা লাভ করতে পেরেছেন।


টেকিসময় ডট কম ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url